মোঃ মুনজুর রহমান;
রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
দুই সন্তানের জননী মোছাঃ কোহিনুর বেগমকে স্বামী মোঃ আমজাদ হোসেন(৪৫) পেশায় কাঠমিস্ত্রি, পিতাঃ মোঃ শামসুল আলী মন্ডল, গ্রামঃ দক্ষিণমালিপাড়া গত ৮ই সেপ্টেম্বর রাত্রি আনুমানিক ৩টার সময় স্ত্রী ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রীর মুখমণ্ডল এবং শরীরে এসিড জাতীয় স্পিড ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় এসময় কোহিনুর বেগম ঘুম থেকে জাগ্রত হলে বাঁচার জন্য চেষ্টা করে এবং হইচই শুরু করে দেয় হইচই শুনে পাড়ার লোকজন ছুটে আসলে ঘাতক স্বামী আমজাদ হোসেন বাড়ির গেট খুলতে দেয় না কাউকে পরবর্তীতে কোহিনূর বেগম আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে বাড়ির নিচে পুকুরের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে,
পরবর্তীতে গ্রামের লোকজন ঘাতক আমজাদ হোসেনকে ধরার চেষ্টা করলে সে পালিয়ে যায় এবং এখন পর্যন্ত সে পলাতক,
ওই সময় তাদের পরিবারের লোকজন কোহিনুর বেগমকে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ, পরবর্তীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং দীর্ঘ
১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জালড়ার পর হেরে গেলেন কোহিনুর বেগম আজ রাত্রি আনুমানিক দুইটার সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোহিনূর বেগমের মৃত্যুর ঘোষণা দেন।
গ্রামের লোকজনের কাছ থেকে জানা যায় এর আগে বেশ কয়েকবার কহিনুর বেগমের উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালিয়েছে ঘাতক আমজাদ হোসেন
গ্রামবাসীর কাছ থেকে জানা যায় ঘাতক আমজাদ হোসেন প্রচন্ড পরিমাণ নেশা করতো, এবং নেশা করে এসে ঘাতক আমজাদ হোসেন তার স্ত্রী কহিনুর বেগমকে এর আগেও কয়েকবার দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মেরে ফেলার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে এতে মহল্লার লোকজন এগিয়ে এসে কহিনুর বেগমকে উদ্ধার করেছে, বর্তমানে লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে,
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি ঘাতক আমজাদ হোসেনকে প্রশাসন যেন দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে সঠিক বিচার করেন এটাই এলাকাবাসীর দাবি।

