Adsterra

সিন্ডিকেট ভেঙে গেলো চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী গোমদন্ডী ফুলতল ট্রাফিক জোন এর মাসিক সভায়

0

সিন্ডিকেট ভেঙে গেলো চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী গোমদন্ডী ফুলতল ট্রাফিক জোন এর মাসিক সভায়

বিশেষ প্রতিবেদক, বোয়ালখালীঃ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী গোমদন্ডী ফুলতল ট্রাফিক জোনে গ্রাম সিএনজিতে প্রতি মাসে ৫শত টাকা মাসোহারা নে,অভিযোগ সাধারণ ড্রাইভার শ্রমিকের। কিন্তুু কোন আইনি পদক্ষেপ নেই বল্লে চলে।


সাধারণ ড্রাইভার শ্রমিক'রা বলেন বোয়ালখালীর গোমদন্ডী ফুলতল ট্রাফিক জোনের দায়িত্বরত সার্জেন্ট মোহাম্মদ নুরুল আলম প্রশাসনের উপরস্থ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কৌশলে ম্যানেজ করে সাধারণ ড্রাইভার শ্রমিকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মাসোয়ারা বাবদ প্রতি মাসে অর্ধ কোটি টাকা, 


১০/০৯/২০২৩/ মঙ্গলবার বোয়ালখালীর সাধারণ ড্রাইভার শ্রমিকরা সাংবাদিকদের বলেন  

ট্রাফিক জনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে একেক জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুধু গ্রাম সিএনজি মাসোহারা করার লক্ষে।


যারা ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ হয়ে কাজ করে তাদের নামের তালিকা সাংবাদিকদের কাছে এসে পৌঁছেছে,

১/আহমুদুল হক (বেঙ্গুরা)

২/অসক (শাকপুরা)

৩/ নুরুউদ্দিন (ফুলতল)

৪/ নাছির (ফুলতল)

৫/মোরশেদ (গোমদন্ডী উপজেলা) 

৬/করিম (গোমদন্ডী উপজেলা)

৭/জেবল (কালুরঘাট)

৮/অরুপ (কানুনগোপাড়া)

(৯) মিন্টু শাকপুরা 


মূলত এই সিন্ডিকেট কে পুঁজি করে বোয়ালখালীর গোমদন্ডী  ফুলতলার ট্রাফিক জোনের রমরমা মাসোয়ারা'র বাণিজ্য,


সাধারণ ড্রাইভার শ্রমিক'রা আরো বলেন 

বোয়ালখালীতে ফিটনেস বিহীন অবৈধ ছোট বড় সকল যানবাহনে বোয়ালখালীর ফুলতল ট্রাফিক জোনে প্রতি মাসে আয় হয় অর্ধ কোটি টাকা, 


তারা আরো বলেন আমরা সরকারকে প্রতিবছর ডকুমেন্টেস বাবদ ভ্যাট দিয়ে যাচ্ছি তার পরেও কেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা আমাদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালাবে। 


তারি ধারাবাহিকতায় 

মুলত তাদের গাড়ির ডকুমেন্টেসও লেখা আছে গ্রাম সিএনজি সে অনুপাতে আমরা গাড়ি চালায় গ্রামেগঞ্জে, তাও যদি শান্তিতে গাড়ি চালাতে না পারি তাহলে আমাদের চুরি ডাকাতি ছিনতাই করা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। 


তাই সাধারণ ড্রাইভার শ্রমিক'রা এই ধরনের হয়রানির শিকার থেকে বাঁচতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)