কামরুল ইসলাম;
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে দর্শনের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে এ অভিযোগ করেন কিশোরী পূর্ণিমা।
গতকাল সোমবারে দুপুরে ধর্ষণে শিকার কিশোরীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম জুলুর ছেলে উজ্জল হাসান (২২) ও আয়নাল খানের মেয়ে পূর্ণিমা আক্তার (১৮)। একই গ্রামের পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় উজ্জল ও পূর্ণিমার মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পূর্ণিমা আক্তার বলেন, দেখা-সাক্ষাতের মাঝে মাঝে উজ্জল আমাকে বিভিন্ন সময় শারিরীক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। আমি শারিরীক সম্পর্কের প্রস্তাবে রাজি না থাকায় আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলে। যা দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ চলমান। গত ১৮ সেপ্টম্বর আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টায় আমাকে ফোনে বাড়ীর পিছনে আনারের নার্সারীর বাগানে ডেকে নেয়।সেখানে আমরা শারিরীক সম্পর্কসহ রাত ৩টা পর্যন্ত সময় কাটাই। পরে বিয়ের জন্য উজ্জল হাসানকে চাপ দিলে উজ্জল আমাকে বিয়ের অস্বীকৃতি জানায় এবং বাগান থেকে কৌশলে চলে যায়। পরে জানতে পারি উজ্জলের সাথে আরও কয়েকটি মেয়ের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে।
পূর্ণিমা নিরুপায় হয়ে মা-বাবাকে বিষয়টি খুলে বলে ও কান্নাকাটি করতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে পূর্ণিমার বাড়ীর লোকজন বিচার নিয়ে ধর্ষণকারী উজ্জ্বলদের বাড়িতে গেলে উজ্জলের বাবা জুলহাস এবং উজ্জলের মা মনোয়ারা বেগম, পূর্ণিমার বাড়ীর লোকজনদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। উপায় না দেখে পূর্ণিমার বাপ চাচারা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এ বিষয়ে কথিত ধর্ষণকারী উজ্জল হাসানের বাড়িতে গিয়ে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায় বাড়িতে কোন মানুষ পাওয়া যায়নি। আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে উজ্জল ছেলেটি যে লম্পট উশৃংখল বখাটে তার কিছুটা সত্যতা পাওয়া গেছে। উজ্জলের বড় ভাই মোঃ রুবেল মিয়া ও তাদের আত্মীয় মোঃ সুরুজ মিয়া বলেন, স্থানীয় মাতব্বরদের নিয়ে বিষয়টি সালিশ বৈঠকের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মুহাব্বত কবীর জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মেয়র মোঃ মনির উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে আমি কোন কিছু জানিনা।

