Adsterra

নেশার টাকা দিতে অস্বীকৃতি ও পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রী-কে মারধর

0

 


কামরুল ইসলাম;

সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার  বাউসি চন্দনপুর গ্রামের মো জামাল উদ্দিন ওরফে গুজার শেখের দ্বিতীয় পুত্র মোহাম্মদ সাব্বির হোসেন শেখ(২৩)এর সাথে, বাউসি ফুলবাড়িয়া গ্রামের মোঃ খলিলুর রহমানের মেয়ে মোছাঃ ফরিদা আক্তার(২১)এর ১৭/১২/২০২১ইং বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।


বিয়ের পরপরই কিছু দিন যেতে না যেতে সাব্বির শেখ তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার কে নেশা করার জন্য জন্য টাকা তার বাবার নিকট থেকে এনে দিতে চাপ দেয়।গরীব অসহায় বাবার অবস্থা বিবেচনা করে সে টাকা চাইতে পারবে না বলে স্বামী সাব্বিরের নিকট অপারগতা প্রকাশ করে। এতে সাব্বির শেখ তার স্ত্রী ফরিদার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে মারধর করে,এবং শরীরের গোপন জায়গায়  সিগারেটের আগুনে ছ্যাকা দেয়।এভাবে প্রায় প্রতিনিয়ত নেশার টাকার জন্য ফরিদার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলতেই থাকে। এমতাবস্থায় ফরিদার বাবার বাড়ীর লোকজন পৌর কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে সাব্বিরের বাড়ীতে বিচারের জন্য গেলে বাড়ীর লোকজন অন্যত্র সটকে পড়ে গাঁ ঢাকা দেয়।এভাবে গত প্রায় দুই বছরে বহুবার সাব্বিরের বাড়ীতে বিচারের জন্য আওতায় গেলে তারা কোন ভাবেই বিচার সালিশে বসতে চায় না।এবং ছেলেকে শাসন করে না উল্টো ছেলেকে উসকে দেয়।ভুক্তভোগী ফরিদা আক্তার আরও জানান সাব্বিরের বড় ভাই রাব্বি শেখের স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক বিয়ের আগে থেকেই ।বিয়ের পর ফরিদা তাদের দেবর ভাবির পরকীয়া ধরে ফেলে। এই পরকীয়ায় বাধা দিলে নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। সাব্বিরের পরিবারের সকলেই এই অবৈধ সম্পর্কের কথা সকলেই কমবেশি জানে,সাব্বিরের মা বাবা কোন পদক্ষেপ নেয় না। আমার নির্যাতনের মাত্রা এতই বেশি যে  সে আমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছে। প্রাণের ভয়ে আমি বাবার বাড়ি আসতে বাধ্য হই, ফরিদার পিতা  খলিলুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি প্রতিবেদকে কান্নাকাটি করে অভিযোগ করেন সাব্বিরের বাড়ীর লোকজন যদি সাব্বিরকে  করতো তাহলে আমার মেয়েটা কষ্ট হলেও সংসার করে খেতে পারত, আমি নিজে গুলজারের নিকট বিচার দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি।তাই প্রশাসনের নিকট প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন আমার মেয়ের প্রতি যে অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন তারা করেছে,  সাব্বির সহ তার পরিবারের সকলের কঠোর শাস্তি দাবি করছি। 


আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই, আমি সাব্বিরের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই। এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহব্বত কবীরের সাথে কথা হলে তিনি জানান এ পর্যন্ত কেউ এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ করেননি  কেউ অভিযোগ দিলে যথাযথ আইনানুপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)