প্রকাশক ও সম্পাদকঃ
বরিশালের উজিরপুরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করার জন্য ভার্চ্যুয়াল কার্ড ক্রয় করে প্রতারণার ফাঁদে পড়ার অভিযোগ উঠেছে উজিরপুরের পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের এক যুবক।
এ অবস্থায় ভুয়া অনলাইন পণ্য বিক্রির বিপরীতে ভার্চ্যুয়াল বিক্রির ভুয়া অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী রইসুল ইসলাম শিহাব।
ভুক্তভোগী যুবক ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রইসুল ইসলাম শিহাব উজিরপুর উপজেলার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ০১ অক্টোবর ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২২ টায় নিজ বসত ঘরে অবস্থান করে নগদ একাউন্ট (০১৯১৫১১২৫২১) নম্বর থেকে অনলাইনে পণ্য ক্রয় করার জন্য নগদ একাউন্টে (০১৮২৬৩১৮৯৯৪) ৫১৫০/- (পাঁচ হাজার একশত পাঞ্চাশ) টাকা প্রেরণ করে যাহার ট্রাঞ্জেকশন আইডি 727YW346 এবং একই তারিখে সন্ধ্যা ৭:৪৯ টায় উক্ত একই নগদ একাউন্ট থেকে পণ্য ক্রয় করতে ঐ একই নগদ নাম্বার একাউন্টে ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা প্রেরণ করে যাহার ট্রাঞ্জেকশন নাম্বার 727Z0MY6. তার কিছুক্ষণ পর রইসুল ইসলাম শিহাবের prepaidcardlab.com এর ভার্চ্যুয়াল প্রিপেইড কার্ডটির এক্সেস করা বন্ধ হয়ে যায়। এভাবেই ভুক্তভোগী শিহাব অনলাইনে দুই কিস্তিতে মোট ১,০১৫০ টাকার প্রতারণার শিকার হয়। এ ব্যাপারে রইসুল ইসলাম শিহাব উজিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে, যাহার জিডি ট্র্যাকিং নং: PC23BP এবং জিডি নং: ৭০৪।
অনলাইনে পণ্য/ভার্চ্যুয়াল কার্ড বিক্রির এসব প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন ব্যবহারকারীদের জানায়, অর্ডার করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া ঠিকানায় অর্ডারকৃত মালামাল পৌঁছে দেওয়া হবে। অর্ডার করার পূর্বে অগ্রিম টাকা ও কুরিয়ার সার্ভিসের টাকা নিয়ে নেয় তাঁরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নানা টালবাহানা করে যথা ঠিকানায় পণ্য আর পৌঁছে দেয় না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত prepaidcardlab .com প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এক পর্যায়ে বোঝা যায় উক্ত অনলাইনে দেওয়া যোগাযোগের তথ্য ভুয়া বা মিথ্যা।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানা'র ওসি (তদন্ত) বলেন, ‘এসব অনলাইন প্রতারকদের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম আইনে মামলা করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে, পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

