বরিশাল জেলা ব্যুরো চীফঃ
বরিশালের উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়নের বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান শান্ত ও অনিক অভিনব কায়দায় চাকলাদার বাসের সুপারভাইজার এর মোবাইল চুরি করে ইউনিয়নের সানুহারে আটকে রেখে অনিকের মাধ্যমে টাকা দাবি করে এবং দাবিকৃত টাকা না দিলে মোবাইল ফেরত দিবে না। এ বিষয়ে সুপারভাইজার নিজে বাদি হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধামুরা টু বরিশাল রুটের বাসের সুপারভাইজার মোঃ রইজ শেখ (১৬) ২১-০৮-২০২৩ সকাল ৭:০০ ঘটিকায় বরিশাল যাওয়ার সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি গাড়ির বক্স'এ রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম থেকে উঠে বক্স এর ভিতর মোবাইল না পেয়ে একই গাড়িতে চাককুরী করা হেলপার অনিক হাওলাদার (১৫), পিতাঃ মাসুম হাওলাদার বাড়ি সানুহার চলে যায় মোবাইলের খোঁজে।
এরপর, রইজ সানুহার গিয়ে অনিক হাওলাদারের খোঁজ করে। এক পর্যায়ে রইজ মোবাইলের কথা বললে, অনিক বামরাইল ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান শান্ত ও কিছু অজ্ঞাত কিশোর মিলে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা মোবাইলের মুক্তিপণ দাবী করে। এক পর্যায়ে ধার্যকৃত সম্পূর্ণ টাকা না দিতে পারায় মোবাইলটি না দিয়ে রইজকে বিদায় করে দেয়।
এরপর, রইজ এ ব্যাপারে উজিরপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
মুঠোফোনে রইজ জানায়, ঐ সময় আমাকে সানুহারের এক নির্জন বাগানে নিয়ে অজ্ঞাত কিছু কিশোর অভিযুক্ত ২ নং বিবাদী মেহেদী হাসান শান্তকে পুলিশ বলে আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। পরে আমি অনেক অনুনয় বিনয় করিলে বিবাদী মেহেদী হাসান আমাকে চড় থাপ্পর মারে এবং খুন জখম করার হুমকি ধামকি প্রদান করে। তাই আমি উক্ত স্থান পরিত্যাগ করে চলে আসি।
এদিকে অভিযুক্ত ২নং বিবাদী মেহেদী মুঠোফোনে জানতে চাইলে, বিষয়টি অস্বীকার করে এরিয়ে যায় এবং এও বলে যে, এলাকার লোকজন রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য অন্য কোনো চক্র এই অভিযোগটি দায়ের করার জন্য বাদীকে উদ্ভুদ্ধ করেছে।
এ ব্যাপারে উজিরপুর মডেল থানা'র এস.আই মেহেদী হাসান মিলন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

